fbpx
সর্বশেষ আপডেটস

বেনাপোল বন্দরে যৌথ এন্ট্রি শাখা, দিনে ঢুকতে পারবে আরও ১০০ ট্রাক

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের ট্রাক আমাদের দেশে ঢোকার সময় বেনাপোল বন্দরে তিন জায়গায় নিবন্ধন করতে হয়। তাই বন্দরে আমদানি-রফতানি আরও সহজ করতে কাস্টমস, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বন্দরের জন্য যৌথ এন্ট্রি শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।

আগে বেনাপোল বন্দরের প্রবেশদ্বারে ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হতো এবং পণ্য খালাসের জন্য সময়ও বেশি লাগত। এতে করে আমদানি খরচ আরও বেড়ে যেত। তাই এই প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য আজ মঙ্গলবার বন্দরের প্রবেশদ্বারে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ স্থলবন্দরের ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মতিয়ার রহমান দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, এত দিন বাংলাদেশ অংশে তিনটি সংস্থার যথাযথ সমন্বয়হীনতার কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন আমাদের ব্যবসায়ীরা। এখন থেকে ভোগান্তি থেকে ব্যবসায়ীরা মুক্তি পাবেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার জনাব আজিজুর রহমান এই যৌথ এন্ট্রি সেবার উদ্বোধন করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার নেয়ামুল ইসলাম, উপকমিশনার শামীমুর রহমান, বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আবদুল জলিল, সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আতিকুর রহমান, সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান প্রমুখ।

কমিশনার আজিজুর রহমান দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, কিছুদিন আগেও আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের সময় একই তথ্য কাস্টমস, বিজিবি ও বন্দরের কাছে তিনবার এন্ট্রি করতে হতো যা খুবই সময়সাপেক্ষ। এতে করে দ্রুত বাণিজ্য সম্প্রসারণ অনেকটাই বাধাগ্রস্থ হতো। তাই বাণিজ্য আরও সহজ করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ যৌথ এন্ট্রি শাখার কারণে এখন আমদানি-রফতানি বাণিজ্য যেমন বাড়বে, তেমনি রাজস্ব আয়ও পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে। 

বেনাপোল বন্দর সূত্রে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, এতদিন যাবত ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার সময় স্থলবন্দরের প্রবেশদ্বারে একই তথ্য দিয়ে কাস্টমস, বিজিবি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির কাছে তিনবার এন্ট্রি করতে হতো। বিষয়টি নিয়ে তাই তিন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আলোচনায় বসে বাণিজ্য সহজীকরণের উদ্যোগ নেন। ফলে এখন থেকে কাস্টমস বিভাগ মূলত পণ্য এন্ট্রির দায়িত্ব পালন করবে। আর অপর দুটি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি তদারকি করবেন। ফলে দিন শেষে পণ্য এন্ট্রির তথ্য প্রিন্টের মাধ্যমে সব প্রতিষ্ঠান নিতে পারবে এবং কাজও দ্রুত হবে। 

দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের স্থলপথে যত পণ্য আমদানি হয়, তার ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে আমাদের বেনাপোল বন্দর দিয়েই। তাই চমৎকার এই সেবার ফলে আশা করা যাচ্ছে ট্রাকের চাকাও ঘুরবে বেশি এবং পণ্য পরিবহন হবে আরও সহজে। 

তথ্যসূত্রঃ দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। 

Check Also

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে ৪ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল বন্দরে ৪ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ

হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে, বেনাপোল স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আগামী ২৩ …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।